করসলের পুষ্টি ও ক্যান্সার প্রতিরোধী গুণ
করোসল ফলের ক্যান্সার প্রতিরোধী গুণাগুণ মানুষ প্রথম জানতে পারে ১৯৭৬ সালে। গবেষণায় করোসলে এমন কিছু কেমিক্যাল পাওয়া গেছে যা কিনা কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত Adriamycin থেকে দশ হাজার গুণ বেশি কার্যকর। করোসল গাছের ফল, পাতা, বাকল সবকিছুই অবিশ্বাস্যভাবে প্রাকৃতিক ক্যান্সার কোষ প্রতিরোধী। অন্যদিকে, করোসল ফল গ্রহণে কেমোথেরাপির মতো চুল পড়ে না, উপরন্তু ক্যান্সার কোষ দমনকারী। প্রচলিত মেডিক্যাল চিকিৎসা সেবার মতো ক্যান্সার প্রতিরোধে এই ফলের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই নেই।